পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে...
রবিবার, জুন ২৩, ২০২৪

গাইবান্ধায় যুবলীগ নেতাকে হত্যার ঘটনায় আটক ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, (সুন্দরগঞ্জ) গাইবান্ধা:
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা জাহিদুল ইসলামকে (৩৮) কুপিয়ে হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজমিরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জাহিদুলের বাড়ি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বৈদ্যনাথ গ্রামে। তার বাবার নাম আবুল হোসেন। জাহিদুল সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সোনারায় ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ভোররাত পৌনে তিনটার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জাহিদুলের মৃত্যু হয়। রোববার দিবাগত রাত ১১টার দিকে সুন্দরগঞ্জ-বামনডাঙ্গা সড়কের শাখা মারা ব্রিজ এলাকায় তিনি হামলার শিকার হয়েছিলেন।

স্বজনের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের কারণে জামায়াত-বিএনপির লোকজন তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।

স্থানীয়রা জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাহিদুল এবং কবির মিয়া মোটরসাইকেলে করে বামনডাঙ্গা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ফেরার পথে সুন্দরগঞ্জ-বামনডাঙ্গা সড়কের শাখা মারা ব্রিজ এলাকায় এলে ৭-৮ জন তাদের গতিরোধ করে হামলা চালায়। এসময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে জাহিদুলের হাত-পায়ের রগ কেটে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। আর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয় তার সঙ্গে থাকা কবিরকে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। এরমধ্যে জাহিদুল ইসলামের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অকিরিক্ত রক্তক্ষরণে সেখানে ভর্তির পর মৃত্যু হয় তার।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান লিটু বলেন, ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এই এলাকায় জামায়াত-বিএনপি এক প্রকার তা-ব চালিয়েছে। জাহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ছিলেন। সেই কারণে জামায়াত-বিএনপির লোকজন তাকে হাত-পায়ের রোগ কেটে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যাকা-ের সুষ্ঠু তদন্ত এবং খুনীদের বিচার চাই। এই দাবিতে আজ আমরা প্রতিবাদ সমাবেশ করব।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল আলম সরকার লেবু বলেন, পরিকল্পিতভাবে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা জাহিদুলকে হত্যা করেছে। এ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

আজমিরুজ্জামান বলেন, হামলার পরে জাহিদুল ইসলাম পুলিশকে বলেছেন যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে জামায়াত-বিএনপির লোকজন তাকে কুপিয়েছেন। তিনি কয়েকজনের নামও বলেছেন। আমরা এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন চারজনকে আটক করেছি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরো পড়ুন

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বশেষ সংবাদসমূহ

বিশেষ সংবাদ