পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে...
বৃহস্পতিবার, জুন ১৩, ২০২৪

চট্টগ্রাম বন্দরে ঝুলে থাকা প্রকল্পে গতি

ছয় দফা নিউজ ডেস্ক:
চটগ্রাম বন্দর ২০২৩ সালে কনটেইনার পরিবহনে বিশ্বের শীর্ষ বন্দরের তালিকায় আগের বছরের তুলনায় তিন ধাপ পেছালেও যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রকল্প। বিদায়ি বছরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চ্যানেল ও প্রথম টার্মিনালের উদ্বোধন করে। দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় প্রথম বিদেশি অপারেটরের সঙ্গে ২২ বছরের চুক্তি করা হয়। দীর্ঘদিন আটকে থাকা বে টার্মিনাল প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যানের মোড়ক উন্মোচন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন গেটে বসানো হয়েছে সাতটি কনটেইনার স্ক্যানার। এ ছাড়া বন্দরে ৩৯৩ কোটি টাকার ২৪টি যন্ত্রপাতি যুক্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল বলেন, ‘বিশ্বমন্দার মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দর তিন মিলিয়ন ক্লাবে রয়েছে। ২০২৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দর স্মার্ট পোর্ট হবে।

বিদায়ি বছরে বন্দরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় কোনো বিদেশি অপারেটরের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। গত ৬ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরের নবনির্মিত পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) পরিচালনায় সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনালের (আরএসজিটিআই) সঙ্গে ২২ বছরের জন্য চুক্তি করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের (পিসিটি) যন্ত্রপাতি সংযোজন ও উন্নয়নে প্রায় ১৭ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে। দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনাল প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যানের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ফলে এ প্রকল্পে গতি এসেছে। ২০১৭ সালে প্রাথমিক মাস্টারপ্ল্যান তৈরি হওয়ার পর ভূমি অধিগ্রহণসহ নানা জটিলতায় বে টার্মিনালের চূড়ান্ত প্ল্যান আটকে ছিল প্রায় ছয় বছর। তবে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মতি পাওয়ার পর সাগরতীরে বহুল আলোচিত ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ বে টার্মিনালের মাস্টারপ্ল্যান চূড়ান্ত করে চট্টগ্রাম বন্দর। ২০২৩ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ কোটি ৩২ লাখ টাকার ২৪টি যন্ত্রপাতি যোগ হয়েছে। এসব যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে চীন, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, বেলজিয়াম ও ফ্রান্স থেকে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, বিদায়ি বছরে চট্টগ্রাম বন্দরে অনেক প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে, যা কয়েক বছর ধরে ঝুলে ছিল। এসব প্রকল্পের কাজ ঠিকমতো আগাচ্ছে। আশা করছি, আন্তর্জাতিক বন্দরের তালিকায় যে তিন ধাপ পিছিয়েছিল, সেটা এগিয়ে আসবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের বন্দরে রূপান্তর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিভাগকে অটোমেশন করতে ৫০টি সফটওয়্যার মডিউল তৈরি হচ্ছে। যার মাধ্যমে বন্দরকে পেপারলেস প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্রঃকালের কণ্ঠ

আরো পড়ুন

মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বশেষ সংবাদসমূহ

বিশেষ সংবাদ